Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
English
Lead 1
Lead 2
Lead 4
Lead 5
Lead3
অন্য পত্রিকার খবর
অন্য পত্রিকার খবর ১
অন্য পত্রিকার খবর ২
অন্য পত্রিকার খবর ৩
আরও সংবাদ
ইসলাম
বিবিধ
ভিডিও নিউজ
মৌলিক
শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন :

ফের জঙ্গিবাদকে উস্কে দিচ্ছেন সাবেক এটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ(ভিডিও)


প্রকাশিত :১৬.০৫.২০১৮

নিউজ ডেস্ক : সাজাপ্রাপ্ত দুর্ধর্ষ জঙ্গি খালেদ মতিনের পক্ষে মামলা লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে জঙ্গিবাদকে পরোক্ষভাবে উস্কে দিলেন বিএনপি শাসনামলের বিতর্কিত এটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ।  এ নিয়ে আইনজীবী সমিতি, সচেতন নাগরিক সমাজসহ স্যোশাল মিডিয়ায় ব্যপক সমালোচনার ঝড় বইছে।

এ প্রসঙ্গে আইনজীবী সমিতির এক সিনিয়র নেতা বলেন, ভাবতেও অবাক লাগে এ এফ হাসান আরিফের মতো এমন অভিজ্ঞ আইনজীবী কিভাবে একজন দণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিকে মুক্ত করার জন্য কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।  হতাশার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি বিপজ্জনকও বটে।  তার মতো সিনিয়র ব্যক্তি যদি এমন কাজ করেন তবে জুনিয়ররা কি শিখবে? এটি জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে  বাধা হিসেবে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

হাসান আরিফের এ সিদ্ধান্ততে খানিকটা হতাশ হয়ে বার এসোসিয়েশন এর অন্য এক সিনিয়র সদস্য বলেন, শুনেছি জঙ্গিবাদের সাথে জড়িত থাকার কারণে আটক দুর্ধর্ষ সব জঙ্গিদের মুক্ত করার লক্ষ্যে আইনী সহায়তা প্রদানের মত বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পুনরায় শুরু করেছেন সাবেক এটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ।  ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার যেখানে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে সফলতার সাথে জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করছে, বিদেশি বন্ধুরাষ্ট্রের প্রশংসা পাচ্ছে, ঠিক তখনই স্বাধীনতা বিরোধী, উন্নয়ন বিরোধী কিছু শক্তি এবং তাদের এজেন্টরা সরকারের সকল অর্জনকে ম্লান করে দিয়ে দেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার আপ্রাণ চেষ্টায় লিপ্ত হচ্ছে।

বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয় যখন হাসান আরিফ আইনী সহায়তা প্রদানের জন্যে দেশের অন্যতম জঙ্গি ও উগ্রবাদে মদদদাতা খালেদ মতিনের আইনজীবী হিসেবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়।  খালেদ মতিন বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।  এছাড়াও জঙ্গিবাদকে উস্কে দেয়া, জঙ্গি পরিবারসমুহকে কৌশলে অর্থ সহায়তা প্রদান এমনকি বিদেশে অর্থ পাচারের সাথে হাসান আরিফের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলেও বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়।  এর আগেও কয়েকজন বিএনপিপন্থী আইনজীবীর বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদকে উস্কে দেওয়া ও সরাসরি সহায়তার অভিযোগ উঠেছিল।

উল্লেখ্য, তৎকালীন সময়ে লেকহেড গ্রামার স্কুলে জঙ্গি তৈরির কারখানা গড়েছিলেন খালেদ হাসান মতিন।  তিনি স্কুল পরিচালনার পাশাপাশি জঙ্গি কর্মকাণ্ডেও জড়িত ছিলেন।  হলি আর্টিজানের ঘটনার পর একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা জঙ্গি তৈরির কারখানা হিসেবে এই লেকহেড স্কুলের সন্ধান পায় । তখন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতায় গ্রেফতার হয়  খালেদ হাসান মতিন।

শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন :


Designed By BanglaNewsPost