Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
English
Lead 1
Lead 2
Lead 4
Lead 5
Lead3
অন্য পত্রিকার খবর
অন্য পত্রিকার খবর ১
অন্য পত্রিকার খবর ২
অন্য পত্রিকার খবর ৩
আরও সংবাদ
ইসলাম
বিবিধ
ভিডিও নিউজ
মৌলিক
শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন :

প্রতিশোধ নেওয়ার মিশনে ভারতের সমর্থন হারালেন এরশাদ(ভিডিও)


প্রকাশিত :০৮.০৯.২০১৮

নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের অনুকম্পা নিয়ে আগামী নির্বাচনে জয়ী হয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসার অভিলাস নিয়ে ভারতের সাহায্য চেয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন সাবেক স্বৈরশাসক ও জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ।  ভারতের মন জয় করে সর্বস্ব বিসর্জন দেওয়ার ওয়াদা করেও আশীর্বাদ লাভে ব্যর্থ হয়েছেন সাবেক এই স্বৈরশাসক।  নির্বাচনে প্রয়োজনে সংখ্যালঘু প্রার্থীদের প্রাধান্য দিবেন এমন কথা দিয়েও ভারতের মন গলাতে পারেননি এরশাদ।

সূত্র বলছে, শেষ বয়সে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন এরশাদ।  এরশাদের উচ্চাকাঙ্খা দেখে খোদ হতবাক হয়েছেন দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতারা।  ৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে দলটির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার পর্যন্ত এরশাদকে আকাশ-পাতাল চিন্তা বাদ দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের অধিনে সুষ্ঠু নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুরোধ করলে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেন। এরশাদ রুহুল আমিনকে বলেন, আমার জীবনে সব স্বাদ পূরণ হয়েছে।  আমার শেষ ইচ্ছা নির্বাচিত হয়ে একবারের জন্য হলেও প্রধানমন্ত্রীর পদটি অলংকৃত করা।  আমি ক্ষমতায় বসতে সবকিছু বিসর্জন দিতে পারি।  ক্ষমতায় বসতে প্রয়োজনে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের পা ধরতেও রাজি আছি।  তার পরেও প্রধানমন্ত্রী হতে চাই।  কারণ আমার কিছু গোপন মিশন রয়েছে।  আমি দেন-দরবার করে প্রধানমন্ত্রী হতে পারলে দুই নেত্রীকে জেলের ভাত খাওয়াব।  তাদের দুজনের কারণে আমার জীবন জাহান্নাম হয়ে গেছে।  এরশাদের এমন দুঃসাহসিক অভিলাস দেখে বিস্মিত হন রুহুল আমিন।

এরশাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ক্ষমতায় যেতে হলে ভারতকে খুশি করতে হবে।  তাই ভারতকে খুশি করার জন্য নির্বাচনে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রার্থীদের অন্তত পঞ্চাশটি আসন বিতরণ করবেন।  মনোনয়নের জন্য হিন্দু প্রার্থীদের মাত্র ৫০ লাখ টাকা করে চাঁদা নির্ধারণ করবেন।  এমন স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ দলের জন্য ক্ষতিকারক হবে এটি ভেবে তাকে বাধা দিতে গেলে এরশাদ রুহুল আমিনকে অপমান করে বনানীর বাড়ি থেকে বের করে দেন।  ভারতের কট্টোরপন্থি হিন্দু সংগঠন আরএসএস এবং বিজেপিকে খুশি করতেই হিন্দু প্রার্থীদের প্রাধান্য দেওয়ার ওয়াদা করেন এরশাদ।  এছাড়া নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে মন্ত্রিসভায় হিন্দু সাংসদদের বেশি বেশি পদ দেওয়ার ওয়াদা করেও ভারতের গ্রিন সিগনাল পেতে ব্যর্থ হয়েছেন এরশাদ।

সূত্র বলছে, এরশাদ বিজেপি সরকারের একাধিক থিঙ্কট্যাংককে চিঠি লিখে এবং টেলিফোন করেও তাদের সমর্থন পেতে ব্যর্থ হয়েছেন।  ভারতীয় থিঙ্কট্যাংকগুলোর ভাষ্য, এরশাদ সাবেক স্বৈরশাসক, জনগণকে অবৈধভাবে শোষণ করার জন্য কুখ্যাতি অর্জন করেছেন।  বাংলাদেশের জনগণ এরশাদকে তার রং পাল্টানোর জন্য অবিশ্বাস করেন।  এরশাদের নিজস্ব কোন রাজনৈতিক সত্তা নেই।  এছাড়া বিদেশি রাষ্ট্রগুলো এরশাদকে বেইমান হিসেবে জানে।  সুতরাং এরশাদের জন্য কোন রকম সুপারিশ করবে না ভারত সরকার।

ভারত সরকারের এমন কঠিন আচরণে ভেঙ্গে পড়েছেন এরশাদ।  শেষবারের মত ইচ্ছাপূরণ না হওয়ায় মনোকষ্টে নেতা-কর্মীদের সাথে সাক্ষাত বন্ধ করে দিয়েছেন এরশাদ।  প্রতিশোধ নেওয়ার মিশনে ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে যাবেন কিনা তা নিয়েও গুঞ্জন শুরু হয়েছে জাতীয় পার্টির ভেতরে।

শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন :


Designed By BanglaNewsPost