Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
English
Lead 1
Lead 2
Lead 4
Lead 5
Lead3
অন্য পত্রিকার খবর
অন্য পত্রিকার খবর ১
অন্য পত্রিকার খবর ২
অন্য পত্রিকার খবর ৩
আরও সংবাদ
ইসলাম
বিবিধ
ভিডিও নিউজ
মৌলিক
শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন :

তারেক রহমানের পরিণতি
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায় নিয়ে শঙ্কিত বিএনপি


প্রকাশিত :২৩.০৯.২০১৮

নিউজ ডেস্ক: ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলার মামলায় তারেক রহমান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামির মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ৷ রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্কের শেষ দিনে এই আবেদন জানানো হয়৷ এতে গ্রেনেড হামলা মামলার অন্যতম আসামি তারেক রহমানের সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে শঙ্কিত বিএনপি। দুই মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডাদেশ নিয়ে লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভাগ্য আরেকদফা নির্ধারণ হতে যাচ্ছে আগামী ১০ অক্টোবর। ওই দিন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা করবেন আদালত।

তথ্যসূত্র বলছে, ১৪ বছর আগে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সমাবেশে ভয়াবহ এ গ্রেনেড হামলা হয়। ওই হামলায় করা দুই মামলার বিচারকাজ এখন শেষ। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রাষ্ট্রপক্ষ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ৪১ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছেন।

সূত্র বলছে, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার অন্যতম আসামি তারেক রহমানের মৃত্যুদণ্ড দাবির বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত বিএনপি। কারণ তারেক রহমানের নেতৃত্ব নিয়ে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের আপত্তি থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে দলের অখণ্ডতা এবং অস্তিত্ব রক্ষায় খালেদা জিয়ার অবর্তমানে তারেকের নেতৃত্ব মেনে নিয়েই দল চালাচ্ছেন তারা। তারেক রহমানের  দিকনির্দেশনা, পরামর্শ ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন।

নির্বাচন ও আন্দোলনের প্রস্তুতি তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা অনুযায়ীই চলছে। কূটনৈতিক তৎপরতা যতটুকু রয়েছে, তাও তারেক রহমানের বদৌলতেই। দিল্লিতে প্রতিনিধিদল পাঠানো ও সম্প্রতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জাতিসংঘ সফর তারেক রহমানের লবিং-তদবিরেই সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে।

ঠিক সেই মুহূর্তে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের দিন-ক্ষণ ঠিক হওয়ায় এই মামলার অন্যতম প্রধান আসামি তারেক রহমানের সম্ভব্য পরিণতি নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন বিএনপি নেতারা।

খোদ তারেক রহমানের আইনজীবীরা বলছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা বিস্ফোরক ও হত্যা— দু’টি মালারই আসামি তারেক রহমান। মামলার রায় বিপক্ষে গেলে বিস্ফোরক আইনে যাবজ্জীবন এবং হতাহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মৃত্যুদণ্ড হতে পারে তারেক রহমানের— এমনটিই শঙ্কা তারেক রহমানের আইনজীবীদের।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তারেক রহমানের আইনজীবী, বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া দু’টি মামলারই অন্যতম প্রধান আসামি করা হয়েছে তারেক রহমানকে। তাকে আসামি করার পেছনে অবশ্যই সরকারের দুরভিসন্ধি রয়েছে। সুতরাং আমরা কেবল শঙ্কিত নই, পাথর হয়ে গেছি।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিএনপি নেতারা ধরেই নিয়েছেন নির্বাচনের আগে বিএনপির ওপর চাপ তৈরির লক্ষ্যে অক্টোবরেই রায়ের দিন ঠিক করা হয়েছে। তারেক রহমান বড় ধরনের সাজা দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মনোবল ভেঙে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। সে কারণেই নির্বাচনের আগে মামলার রায়ের দিন ঠিক করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এই মামলায় তারেক রহমানের নাম ছিল না। অধিকতর তদন্তের নামে দলীয় মনোভাবাপন্ন লোক দিয়ে তদন্ত করিয়ে তারেক রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সুতরাং কেবল বিএনপি নয়, গোটা দেশবাসী বুঝতে পারছে, এর পেছনে সরকারের হীন উদ্দেশ্য আছে। সঙ্গত কারণেই তারেক রহমানের সম্ভব্য পরিণতি নিয়ে আমরা শঙ্কিত।’

এদিকে, তারেক রহমানের সম্ভব্য পরিণতি নিয়ে বিএনপির শঙ্কা থাকলেও তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে লন্ডনে থাকায় কিছুটা নির্ভার রয়েছে তার দল। একটি মামলায় ৫ বছরের সাজা নিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাভোগ করলেও দু’টি মামলায় ১৭ বছরের সাজা নিয়ে লন্ডনে বসে দল পরিচালনা করছেন তারেক রহমান।

সুতরাং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আরও বড় কোনো সাজা হলেও লন্ডনে বসে দল পরিচালনার সুযোগ হাতছাড়া হবে না তারেক রহমানের। নির্বাসনে থেকে এখন যেমন দল পরিচালনা করছেন, তখনও তিনি দল পরিচালনা করতে পারবেন।

এ প্রসঙ্গে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যেমন জানে তারেক রহমান রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার, তেমনি বিশ্ববাসীও জানে, কোনো অপরাধ ছাড়াই তাকে আসামি হতে হয়েছে। তাই আমরা মনে করি, অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হলেও তারেক রহমান বিএনপির দায়িত্ব পালন করে যেতে পারেন।’

শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন :


Designed By BanglaNewsPost